
এনসিপির খুলনা বিভাগীয় প্রধান এবং এনসিপি শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মোতালেব শিকদার কে মাথায় গু’লি করা হয়েছে। আ’শ’ঙ্কা’জনক অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে।
খুলনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শ্রমিক সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা মো. মোতালেব শিকদারকে (৪২) গুলি করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে নগরের সোনাডাঙ্গা এলাকার একটি বাসায় এই ঘটনা ঘটে।
এনসিপির খুলনা মহানগরের একজন সংগঠক সাইফ নেওয়াজ বলেন, মোতালেব শিকদার এনসিপির শ্রমিক সংগঠন জাতীয় শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক ও খুলনা বিভাগীয় আহ্বায়ক। কিছুদিনের মধ্যে খুলনায় দলের একটি বিভাগীয় শ্রমিক সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। সেটা নিয়ে তিনি কাজ করছিল
মোতালেব শিকদার/ছবি সংগৃহীতখুলনার সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তার চিকিৎসা চলছে।
গুলিবিদ্ধ মোতালেবের ছবি যুক্ত করে এনসিপির যুগ্ম-সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু ফেসবুকে লিখেছেন, ‘এনসিপির খুলনা বিভাগীয় প্রধান এবং এনসিপি শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মোতালেব শিকদারকে একটু আগে গুলি করা হয়েছে।আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে।’
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. তাজুল ইসলাম জানান, অভ্যন্তরীণ কোন্দলে এ ঘটনা ঘটতে পারে। ঘটনাস্থলের আশপাশে নারী ও মাদককেন্দ্রিক বিভিন্ন অপরাধের প্রবণতা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির খুলনা জেলার প্রধান সমন্বয়ক মুফতি ফয়জুল্লাহ বলেন, মোতালেব শিকদারের সঙ্গে কথা বলেছি। সে বলেছে সকাল সাড়ে ১০টায় সার্জিক্যালের পাশে চায়ের দোকানে চা খাচ্ছিলেন। এসময় সঙ্গে থাকা লোকজন চলে যাওয়ার পর কয়েকজন হেলমেট পরে এসে মোতালেব শিকদারকে একটি গলিতে নিয়ে মারধর করে। তারা যাওয়ার সময় গুলি করে।
ফয়জুল্লাহ আরও বলেন, আমরা মনে করি গুলির ঘটনায় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এ কাজ করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোতালেব শিকদারকে (৩৭) দুর্বৃত্তরা গুলি করলে উপস্থিত জনতা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে তার মাথার সিটি স্ক্যান করার জন্য শেখপাড়া সিটি ইমেজিং সেন্টারে নিয়ে আসে। তার বাড়ি নগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন পল্লীমঙ্গল স্কুল এলাকায়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, খুলনা গাজী মেডিকেল (সার্জিক্যাল) এলাকার আল আকসা মসজিদ গলিতে একটি ভাড়া বাসায় প্রায়ই যাতায়াত করতেন মোতালেব শিকদার। একজন নারী দম্পতি পরিচয়ে ওই বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন। তবে নারীর নাম এখনো জানা যায়নি। ভাড়া বাসায় গুলির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর পুলিশ বাসাটিতে তল্লাশি চালিয়ে মাদক সেবনের সরঞ্জাম ও বিদেশি মদের বোতল উদ্ধার করেছে। পুলিশ নারীর পরিচয় শনাক্তে ও মূল ঘটনা উদঘাটনে কাজ করছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. তাজুল ইসলাম জানান, অভ্যন্তরীণ কোন্দলে এ ঘটনা ঘটতে পারে। ঘটনাস্থলের আশপাশে নারী ও মাদককেন্দ্রিক বিভিন্ন অপরাধের প্রবণতা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির খুলনা জেলার প্রধান সমন্বয়ক মুফতি ফয়জুল্লাহ বলেন, মোতালেব শিকদারের সঙ্গে কথা বলেছি। সে বলেছে সকাল সাড়ে ১০টায় সার্জিক্যালের পাশে চায়ের দোকানে চা খাচ্ছিলেন। এসময় সঙ্গে থাকা লোকজন চলে যাওয়ার পর কয়েকজন হেলমেট পরে এসে মোতালেব শিকদারকে একটি গলিতে নিয়ে মারধর করে। তারা যাওয়ার সময় গুলি করে।
ফয়জুল্লাহ আরও বলেন, আমরা মনে করি গুলির ঘটনায় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এ কাজ করেছ।
মন্তব্য করুন