
গেল এক বছরে বিশ্ববাসী ক্ষমতার উত্থান-পতন, বিরোধ-মীমাংসা, দুর্যোগ-সম্ভাবনা- নানা পরিবর্তনের সাক্ষী হলেও এখনও মুহুর্মুহু বোমায় কাঁপে মধ্যপ্রাচ্য। ২ বছরেরও বেশি সময় আগে যে সংঘাতের সূত্রপাত। সেই আগুনে আজও পুড়ছে মধ্যপ্রাচ্য।
গাজা
বঞ্চনা আর নিপীড়নের মধ্যে আরও একটি বছর পাড় করেছেন গাজাবাসী। তবে ২০২৫ সাল কিছুটা আশার সঞ্চার করেছে তাদের মধ্যে। এক বছরেও বেশি সময় যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র, মিশর ও কাতারের মধ্যস্থতায় গেল ১৯শে জানুয়ারি ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। এসময় জিম্মি ও বন্দি বিনিময় করে উভয়পক্ষ। শুরু হয় দ্বিতীয় ধাপ কার্যকরের পরোক্ষ আলোচনা।
তবে এই যুদ্ধবিরতি স্থায়ী হয়নি। ১৮ মার্চ থেকে আবারও গাজাজুড়ে ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে ইসরাইল। এসময়, নেৎজারিম করিডোরের পূর্ব অংশ পুনরায় দখল এবং গাজার উত্তর ও দক্ষিণ অংশকে আংশিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে দেয় আইডিএফ। বিপরীতে ৬ এপ্রিল দক্ষিণ ইসরাইলে ১০টি রকেট নিক্ষেপ করে হামাস। ২০২৪ সালের অক্টোবরের পর ইসরাইলি ভূখণ্ডে এটাই ছিল সবচেয়ে বড় রকেট হামলা।
২৭ জুলাই আল-মাওয়াসি, দেইর আল-বালাহ এবং গাজা সিটিতে কিছু সময়ের জন্য সামরিক অভিযান বন্ধের ঘোষণা দেয় ইসরাইল। কিন্তু আগস্টে ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয় ইসরাইলি সেনারা। প্রাণ যায় অন্তত ১৩ জনের।
১০ অক্টোবর ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপ হিসেবে হামাস এবং ইসরাইলের মধ্যে আবারও যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এর অংশ হিসেবে জীবিত সব জিম্মিকে মুক্তি দেয় হামাস। বিনিময়ে ফিলিস্তিনি বন্দিদের রেহাই করার পাশাপাশি গাজার কিছু অংশ থেকে সেনা প্রত্যাহার করে আইডিএফ।
এদিকে ২০২৫ সালে পশ্চিম তীরে সহিংসতা বাড়ে ১৪ শতাংশ। ফেব্রুয়ারির পর নভেম্বরে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর দেখেছে পশ্চিমতীরবাসী।
পশ্চিমতীরে সহিংস অভিযান শুরুর পর এক বছরে অর্ধশতরও বেশি ফিলিস্তিনি কিশোরকে হত্যা করেছে ইসরাইল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এক ফিলিস্তিনি কিশোরের হত্যা-রহস্য সমাধানের চেষ্টা করেছে রয়টার্স। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, তদন্তের অজুহাতে নিরাপরাধ কিশোর হত্যার দায় অস্বীকার করে যাচ্ছে আইডিএফ।
ইরান
ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পর ইরানের ওপর চাপ বাড়তে শুরু করে। ধস নামে মুদ্রায়। লোহিত সাগরে হুথিদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র বিমান হামলার প্রতিক্রিয়ায় মার্চে ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি আরও জোরদার করার হুমকি দেয়। মে মাসে ইরানের বেশ কিছু তেল শোধনাগারে রহস্যজনক সাইবার হামলা ঘটে, যার পেছনে ইসরাইলকে দায়ী করে তেহরান।
জুনে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা নিয়ে চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা। এরজেরে ১৩ জুন ইরানের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি সংঘাতে জড়ায় ইসরাইল।
ইরানের ২৭টি প্রদেশের অন্তত ১৫০টি ভিন্ন ভিন্ন স্থানে ২শ’র বেশি বিমান নিয়ে হামলা চালায় আইডিএফ। ঐদিনই অপারেশন ট্রু প্রমিজ থ্রি নামে তেল আবিবে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় তেহরান। ১২ দিন ধরে চলে সে সংঘাত, ২৪ জুন ইরান ও ইসরায়েল যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এরমধ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ২১ জুন B-2 স্টিলথ বোম্বার ব্যবহার করে ইরানের ফোর্দো, নাতাঞ্জ, ইস্পাহান পরমাণু স্থাপনায় হামলা করে মার্কিন বিমান বাহিনী। প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হয় বাঙ্কার বাস্টার বোমাও।
২০২৪ এর নভেম্বরে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি ভেঙ্গে জানুয়ারিতে লেবাননে আবারও হামলা শুরু করে ইসরাইল। জবাবে, ২২ ও ২৮ মার্চ ইসরাইলে পাল্টা রকেট হামলা চালায় লেবানন। অন্যদিকে, ফেব্রুয়ারিতে লেবাননের পশ্চিম সীমান্তে সিরীয় সেনাবাহিনী একটি নিরাপত্তা অভিযান শুরু করে। মূলত মাদক, অস্ত্র এবং মানব পাচার রোধে এই অভিযান চালানোর ঘোষণা দিলেও সিরীয় সশস্ত্র বাহিনী এবং লেবানীয় গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। আগস্টের শুরুতে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণ করতে সেনাবাহিনীকে বিশেষ দায়িত্ব দেয় লেবাননের সরকার।
ইয়েমেন
গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ২০২৫ এর জানুয়ারিতে লোহিত সাগরে মার্কিন জাহাজে হামলা বন্ধ করে ইয়েমেনি হুথিরা। তবে, মার্চে হুথিদের লক্ষ্যবস্তুতে তীব্রভাবে বিমান হামলা শুরু করে মার্কিন সেনারা। এসময় হুথিদের বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়। আর গাজায় যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যাওয়ায় হুথিরা লোহিত সাগরে ইসরায়েলি জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে। এপ্রিলে মাসে ‘অপারেশন রাফ রাইডার’ এর অধীনে ইয়েমেনে হুথি লক্ষ্যবস্তুগুলোতে মার্কিন বিমান হামলার তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পায়।
৬ মে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া যুদ্ধবিরতির চুক্তি ভেঙে জুলাইতে আবারও লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা শুরু করে হুথিরা। আগস্টের শেষের দিকে এসে ইসরায়েলি ভূখণ্ডে পরপর ১০টি হামলা চালায় হুথিরা সেপ্টেম্বর মাসে রেকর্ড পরিমাণ হামলার পর, ১০ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পরপরই ইসরাইলে ওপর হামলা বন্ধ করে হুথিরা।
সিরিয়া
বাশার আল আসাদের পতন পর সিরিয়া গঠনে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে আল শারাহ নেতৃত্বাধীন সরকার। সিরিয়ার সামরিক বলয়কে দুর্বল করা এবং তুরস্কের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে প্রতিহত করতে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ জুড়ে সিরীয় ভূখণ্ডে অভিযান শুরু করে ইসরাইল।
১০ মার্চ আহমেদ আল-শারা-এর নেতৃত্বাধীন সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস এর মধ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তবে, সেপ্টেম্বর মাসে উত্তর সিরিয়ার আলেপ্পো এবং আর-রাক্কা শহরের কাছে সরকারি বাহিনী এবং কুর্দি নেতৃত্বাধীন এসডিএফ এর মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। অক্টোবরে সিরিয়ায় সামগ্রিক সহিংসতা কমলেও ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বেড়ে যায়।
রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধ
এর মধ্যেই নজর ছিল রাশিয়া-ইউক্রেন (Russia-Ukraine) যুদ্ধবিরতি আলোচনার দিকে। ২০২২ সালে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ ২০২৫ সালেও থামেনি। প্রায় তিন বছর ধরে চলা সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন অসংখ্য মানুষ, ধ্বংস হয়েছে বিপুল সম্পত্তি। একাধিক দফায় আলোচনা হলেও স্থায়ী সমাধান এখনও অধরা। যুদ্ধ থামার আশা তৈরি হলেও তা বারবার হতাশায় বদলে গিয়েছে।
ইজরায়েল-হামাস শান্তি চুক্তি
একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে আলোচনায় আসে (Israel) ও (Hamas)-এর মধ্যে শান্তি চুক্তির প্রসঙ্গ। ২০২৩-এর অক্টোবরে যখন হামাস ও ফিলিস্তিনের অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো গাজা উপত্যকা থেকে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’ নামে একটি বড় আকারের আক্রমণ শুরু করে। সংঘাতের আবহে শান্তির চেষ্টা চললেও পরিস্থিতি ছিল টানটান। ২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি ইজরায়েল এবং হামাস একটি প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি এবং বন্দী বিনিময় চুক্তিতে সম্মত হয়েছিল এবং ১৯ জানুয়ারী থেকে তা কার্যকর হয়।
পহেলগাম হামলা ও ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কে অবনতি
পহেলগাম জঙ্গি হামলা
২০২৫ সালের সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা পহেলগাঁওয়ে। ধর্ম জিজ্ঞেস করে ২৬ জন নিরীহ নাগরিককে হত্যা করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। গোটা দেশ শোকস্তব্ধ হয়ে পড়ে। উপত্যকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গোয়েন্দা ব্যর্থতা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন ওঠে।
অপারেশন সিঁদুর
পহেলগাঁও হামলার জবাবে পাকিস্তানের ভিতরে ঢুকে প্রত্যাঘাত করে ভারতীয় সেনা। অপারেশন সিঁদুরে ধ্বংস হয় একাধিক জঙ্গিঘাঁটি ও অন্তত ১১টি পাক বায়ুসেনা ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শতাধিক জঙ্গি ও বহু পাক সেনার মৃত্যুর দাবি করে ভারত। বিশ্বমঞ্চে প্রশংসা কুড়োয় এই অভিযান।
ইরানের বিরুদ্ধে পরমাণু চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ
ইরানের বিরুদ্ধে পরমাণু চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ তোলে পশ্চিমী দেশগুলি। এর ফলে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে চাপ আরও বাড়ে। একই সঙ্গে নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘিরে বিতর্কে উঠে আসে ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠ ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রীর নাম।
নেপালে জেন জি আন্দোলন
বিভিন্ন দাবি ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যান করার প্রতিবাদে নেপালে জেন জি আন্দোলন (Nepal Gen Z Movement) শুরু হয়। তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখায় তারা। কে পি শর্মা ওলি পদত্যাগ করেন ৯ সেপ্টেম্বর, প্রাণ বাঁচাতে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন সুশীলা কার্কি।

হংকংয়ে অগ্নিকাণ্ড
হংকং-এ (Hong Kong) আবাসনে ভয়াবহ আগুনে মৃত্যু হয় প্রায় ৩০০ জনের। ধোঁয়া, আতঙ্ক আর দগ্ধ ভবনের ছবি নাড়িয়ে দেয় গোটা বিশ্বকে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৃত্যু

প্রাকৃতিক দুর্যোগেও ক্ষতবিক্ষত হয়েছে একাধিক দেশ। আফগানিস্তানে (Afghanistan) ভয়াবহ ভূমিকম্পে তছনছ হয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা। ১০০০-এরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।
ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অংশে বন্যায় কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। চিনেও বন্যার প্রভাব পড়ে।
আফ্রিকার ইথিওপিয়াতে (Ethiopia) ১২০০ বছর পর জেগে ওঠা আগ্নেয়গিরি নতুন করে আতঙ্ক ছড়ায়।
পাকিস্তান আফগানিস্তান সম্পর্ক
দক্ষিণ এশিয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমীকরণ পাকিস্তান আফগানিস্তান (Pakistan-Afghanistan) সম্পর্ক। তালিবান মন্ত্রীর ভারত সফরের পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি স্পষ্ট হয়। বাণিজ্যের পথ এখনও বন্ধ, উত্তেজনাও কাটেনি।
ব্রাজিলে মাদকচক্র
লাতিন আমেরিকায় নজর কাড়ে ব্রাজিলের (Brazil) ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ পুলিশ অভিযান। মাদকচক্রের বিরুদ্ধে অভিযানে অন্তত ১২১ জনের মৃত্যু হয়। Rio de Janeiro-র রাস্তায় সারি সারি দেহ পড়ে থাকার ছবি গোটা বিশ্বকে স্তব্ধ করে দেয়। দুই মাস ধরে পরিকল্পিত এই অভিযানে জঙ্গলে ফাঁদ পেতে ধরা হয় সন্দেহভাজনদের।
সুনীতা উইলিয়ামসের পৃথিবীতে ফেরা
এত অস্থিরতার মধ্যেও স্বস্তির খবর আসে মহাকাশ থেকে। নাসার (NASA) মহাকাশচারী বুচ উইলমোর (Butch Wilmore) ও সুনিতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) পৃথিবীতে ফেরেন। ত্রুটিপূর্ণ (Boeing Starliner) যানে আট দিনের মিশন গিয়ে দাঁড়ায় ন’মাসে। শেষ পর্যন্ত ইলন মাস্কের স্পেস এক্স (SpaceX) ক্যাপসুলে ফ্লোরিডার উপকূলে নিরাপদ স্প্ল্যাশডাউন তাঁদের ফেরা নিয়ে দীর্ঘ অনিশ্চয়তায় ইতি টানে।
ট্রাম্পের শুল্কনীতি
বছরের শুরুতেই আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতি। চিনের ওপর ১০০ শতাংশ এবং ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন তিনি। ভারতের ক্ষেত্রে এই শুল্কের মধ্যে ২৫ শতাংশ ছিল রাশিয়া থেকে তেল কেনার ‘শাস্তি’। ট্রাম্পের এই আগ্রাসী অবস্থান আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে উত্তেজনা ছড়ায়। বিশেষ করে আমেরিকা, চিন ও রাশিয়ার মধ্যে শুল্কনীতি ঘিরে শুরু হয় নতুন করে ঠান্ডা লড়াইয়ের দর কষাকষি, যা বহু মানুষের মনে পুরনো কোল্ড ওয়ারের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার দাবি
পহেলগাম হামলার পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক আরও তলানিতে ঠেকে। সেই আবহেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ থামানোর দাবি সামনে আসে এবং তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার দাবি ঘিরে বছরজুড়ে বিতর্ক চলে।
মন্তব্য করুন