
লাখো মানুষের ভালবাসায় অশ্রুসিক্ত বিদায় আর রাষ্ট্রীয় সম্মানে জাতীয় কবির সমাধির পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম রূপকার ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি
শনিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা শেষে এক বিশাল শোক মিছিলের মাধ্যমে শহীদ হাদির মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নিয়ে আসা হয়। সেখানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা জানানো হয়। এরপর ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী তাঁকে দাফন করা হয়। এ সময় তাঁর সহযোদ্ধা, পরিবারের সদস্য এবং হাজার হাজার সাধারণ মানুষের কান্নায় এক শোকাতুর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

ওসমান হাদিকে দাফনের সময় শোকাহত সতীর্থরা
ওসমান হাদির দাফনের সময় ঢাবি ভিসি অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান, প্রক্টর ড. সাইফুদ্দিন আহমদ, আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, ওসমান হাদির বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম প্রমুখ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

দাফন শেষে উপস্থিত ছাত্র-জনতা শহীদ হাদির কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় ‘শহীদ হাদি অমর হোক’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা। উপস্থিত সহযোদ্ধারা অঙ্গীকার করেন, যে ইনকিলাবের স্বপ্ন দেখে হাদি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তা বাস্তবায়নে তাঁরা অবিচল থাকবেন।
মন্তব্য করুন